1. admin@nagorikchitra.com : admin :
November 30, 2025, 10:11 pm
শিরোনামঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) কর্তৃক পৃথক পৃথক অভিযানে মদ ও গরু জব্দ সীমান্তে মহানন্দা ব্যাটালিয়ান ৫৯ বিজিবি কর্তৃক অবৈধ তিনটি বিদেশি ওয়ান শুটার গান ও ৬ রাউন্ড গুলি  আদিনা কলেজের আন্ত:বিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ইতিহাস বিভাগ  কসমোপলিটিয়ান মোবারক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে টঙ্গীতে উদ্যোক্তা হওয়া নাকি চাকুরী করা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। শ্রীপুরে অবৈধ ভাবে বিক্রিত বিএডিসির সার ভর্তি গাড়ী আটক। টঙ্গীতে নারী শ্রমিকদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীরা উপর হামলা : থানায় অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস পালিত নরসিংদীর বিসিক শিল্পনগরীতে ৫৩ জন নিহতদের স্মরণে মান্নান ভূঁইয়া পরিষদ এর পক্ষে দোয়া ও গনভোজ অনুষ্ঠিত। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে’ ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রস্তুত প্রধান নির্বাচন কমিশনার

আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে’ ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল 

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 26, 2025,

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে একটা নির্বাচনের আবহ সৃষ্টি হয়েছে এবং কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই আগামী ২৬ শে ফেব্রæয়ারি প্রথম দিকে অথবা মধ্যবর্তী সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রতিহিংসা ভুলে একটি সুন্দর, ভালোবাসার দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির হলরুমে আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময়কালে বিএনপির মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “আইনশৃঙ্খলা যথেষ্ট উপযোগী রয়েছে। ভালো আছে। কারণ এখন আর এমন কোনো পরিস্থিতি নাই যেখানে নির্বাচন ব্যাহত হবে। সেটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।” বড় দল হিসেবে একাধিক প্রার্থীর প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি একটি বিশাল রাজনৈতিক দল। এটা একটা স্রোতোশীর নদীর মতো। এখানে চারটা পাঁচটা করে ক্যানডিডেট থাকে। কিছু তো সমস্যা হবে। এটা বরাবর হয়ে আসছে, কোনো সমস্যা নাই। এটা হওয়া মানেই হচ্ছে বোঝা যায় যে এটি একটি বড় রাজনৈতিক দল।”

সাংবিধানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের গুরুত্ব : প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বতী সরকার কর্তৃক গঠিত ছয়টি কমিশনের মাধ্যমে রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “আমরা একটা ট্রানজেকশন পিরিয়ডে আছি। ফ্যাসিজম, কর্তৃত্ববাদী একটা অবস্থা থেকে ডেমোক্রেসি ট্রানজেকশন অর্থাৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য আমরা রেডি হচ্ছি, তৈরি হচ্ছি।”

মির্জা ফখরুল বলেন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট এই ব্যবস্থা নতুন হলেও, রাজনৈতিক দলগুলো আপাতত একমত হয়েছে এই কারণে যে, এটি ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ তৈরি করবে এবং নিম্ন কক্ষকে এককভাবে ক্ষমতাসীন হতে দেবে না। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ: “একটা ব্যক্তি যদি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকে তাহলে দেখা যায় যে সে কর্তৃত্ববাদী হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমরা একমত হচ্ছি যে দুই ট্রামের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হওয়া যাবে না।”

ক্ষমতার ভারসাম্য: রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে আসা হয়েছে। স্বাধীন বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। মির্জা ফখরুল এই পরিবর্তনগুলোকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসা ‘মৌলিক পার্মানেন্টাল পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ব্যক্তিগত কষ্টের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছর রাজনৈতিক জীবনে মনে হয়েছে আমি যদি আইনজীবী হতাম এতটা অত্যাচার আমার উপর হত না।”তিনি আশা না ছাড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “আমি আশাবাদী মানুষ। আমি জেলের পর জেলে গিয়েছি। ১৫ বছর কষ্ট করেছি কিন্তু আশা ছাড়িনি আমি এটা বিশ্বাস করি আমি যদি লড়াই করি, চলতে থাকি তাহলে নিঃসন্দেহে একদিন না একদিন বিজয় আসবেই।”

নতুন প্রজন্মের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এনসিপি ছেলেদের একটি দল হয়েছে। ইয়াং বয়েজ। “আমাদের উচিত এ ধরনের ইয়াং ছেলেদেরকে স্বাগত জানানো। কারণ আমাদের পরে নিউ জেনারেশন দরকার হবে, যারা প্রকৃত অর্থে দেশকে কিছু দিতে পারবে।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ওঠা ‘সমঝোতার মানুষ’ সমালোচনার জবাব দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন,আমার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। এ সময় মির্জা ফখরুল প্রশ্ন করেন , “আর কতদিন যুদ্ধ করব? আর কতদিন মারামারি করবো, আর কতদিন আমরা হিংসা, খুন, জখম এসবের মধ্যে থাকব? আমাদের একটা জায়গায় আসা উচিত, এতে আমাদের সমাজটাকে আমরা একটা শান্তির মধ্যে নিতে পারব।”

৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর কারাবন্দী খালেদা জিয়ার প্রথম প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ম্যাডাম জিয়া অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও যে ছোট্ট ড্রাফটে তার সংশোধনী বসিয়েছিলেন, তার প্রথম লাইনটি ছিল: “প্রথম রাইটটা লেখবা এখন আর কোনো প্রতিহিংসা নয়, প্রতিশোধ নয়।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “দেখেন কত উঁচু মনের নেতা। এত ভয়াবহ ঘটনা, প্রায় ২ হাজার ছাত্র, নারী, শিশু নিহত হয়েছে। ৬ বছর ধরে জেলে। প্রথম কথাই বললেন আর কোনো প্রতিহিংসা নয়। প্রতিশোধ নয়। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দর ভালোবাসার দেশ গড়বো।” তিনি এটিকে নেলসন ম্যান্ডেলার মতো নেতাদের কণ্ঠস্বর উল্লেখ করে ‘ইউনিক’ বলে আখ্যায়িত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মকদুম সাব্বির মৃদুল, পিপি মো. আব্দুল হালিম, নারী শিশু আদালতের পিপি এন্তাজুল হক, ইউসুফ আলী সহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT