মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে মিসাইল ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে কুয়েত। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশটি সতর্কতামূলকভাবে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।
কুয়েতের সামরিক বাহিনী রবিবার (৮ মার্চ) জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়া শত্রুপক্ষের মিসাইল ও ড্রোন প্রতিহত করতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানায়, ‘কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রুপক্ষের মিসাইল ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে।
তারা আরো জানায়, শহরের বিভিন্ন স্থানে যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, সেগুলো মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশেই হামলা প্রতিহত করার সময় হয়েছে।
কুয়েতের পাশাপাশি সৌদি আরব ও কাতারেও নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কুয়েতের আকাশসীমায় ঢুকে পড়া শত্রুপক্ষের ড্রোনের একটি ঢেউ প্রতিহত করা হয়েছে।
কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকও একটি ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, বিমানবন্দরে সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। সংস্থাটি এই হামলাকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর সরাসরি হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।