1. admin@nagorikchitra.com : admin :
February 22, 2026, 9:49 pm

চট্টগ্রামে জাতীয় নির্বাচনের টেনশন কাটিয়ে শুরু হয়েছে স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচনী টেনশন

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, February 22, 2026,

চট্টগ্রাম ব্যাপী বিএনপি’র নেতা কর্মীদের মধ্যে এমপি নির্বাচন এবং সরকার গঠনের টেনশন শেষ হওয়ার পর এবার শুরু হতে যাচ্ছে উপজেলা চেয়ারম্যান, কমিশনার, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার নির্বাচনের টেনশন।
এবং অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘনিয়ে আসতেছে সেই দিনক্ষণ।
ফলে, প্রস্তুতির পালা এখন থেকে শুরু হয়ে গেছে।
বিএনপি’র ভিতর থাকা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে-বিগত ১৭ বছর যাদেরকে দেখা গেছে আন্দোলন সংগ্রামের মাঠে ময়দানে তাদের থেকে বাছাইকরণ পক্রিয়া শুরু করতে হবে।
আর যাদেরকে বিগত ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামের মাঠে ময়দানে থাকা তো দুরের কথা চেহারা সুরত ও দেখেনি কেউ তাদেরকে নিয়ে হৈ হুল্লোড় করে অযথা দলের কোনো ধরনের ক্ষতি করা থেকে ও বিরত থাকতে হবে দল প্রেমিক সাধারণ নেতা কর্মীদেরকে।
এমনিতেই উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই বিএনপি’র রাজনীতিতে মিছিল-মিটিংয়ে আগে ভাগে থাকা এবং যে কোনো প্রোগ্রামে মঞ্চে চেয়ার দখলে নেয়া নেতার অভাব দেখা যাচ্ছে না বর্তমান সময়তে! তারাই নাকি এখনকার বিএনপি’র সর্বেসর্বা!! আর তাদেরকে নিয়ে চিন্তা চেতনায় মশগুল থাকলে দলের জন্য কি ক্ষতি হবে তা সময়-ই বলে দেবে বলে ওই সব রাজনৈতিক একাধিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা মনে করেন।
বিএনপি’র নেতা কর্মীদের টেনশন ছিলো এমপি নির্বাচিত করির মাধ্যমে সরকার গঠন করা। তাদের সে আশার প্রতিফলন হয়েছে এমপি নির্বাচিত করার মাধ্যমে সরকার গঠন করা। বিএনপি’র পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ও আশা ছিলো ওই রকম একটা কিছুর তবে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কথা বাদ দিয়ে বলাবাহুল্য যে, জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনে বড় ধরনের হোঁচট খেয়ে ও ঘুরে দাড়ানোর মানসিকতা নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে মনোনিবেশ করে এগুচ্ছে। যদিও বা জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক পরিমন্ডলে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিকল্প প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে করার সুযোগ নেই। কিন্তু, বিএনপি’র রাজনীতিতে তা অনুপস্থিত।
বিএনপি’র রাজনীতিতে কেন্দ্রীয় ভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত দেয়ার পর ও কিছু নেতা তা না মেনে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মানসে নেমে পড়ে নির্বাচনী মাঠে।
যদিও বা স্থানীয় সরকার পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের মতো দলীয় কোনো প্রতীকে নির্বাচন না ও হতে পারে। তথাপি, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মতে তারা যাকে মনোনীত করে নির্বাচনে প্রার্থীতা দেবে দলের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীরা তার পিছেই কাজ করে যাবে। প্রক্ষান্তরে বিএনপি’র রাজনীতিতে সেই চেইন অব কমান্ড না থাকার অংশে কেউ কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ও নির্বাচন করতে পারে। যাহা অতীতের বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন গুলোতে দেখা গেছে।
তবে, এ ও ঠিক যে, বিগত সময়গুলো এবং বর্তমান সময়ের মধ্যে অনেকটা তফাত রয়েছে!
ফলে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যে কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে সুবিধা ভোগ করতে পারবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT