নিজস্ব প্রতিবেদক::
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর বড় দেওড়া এলাকায় নারী শ্রমিকদের উত্ত্যক্ত করায় এর প্রতিবাদ করলে এক ব্যবসায়ীকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ব্যবসায়ীর নাম এস এম রকিব উদ্দিন (৩৯)। গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে বড় দেওড়া চন্ডিতলা রোডের মাথায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত ব্যবসায়ী টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জানান, বড় দেওড়া এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু ১নং বিবাদী জামির হোসেন (৪০), পিতা-দূর্জন আলী, সাং-বড় দেওড়া, চন্ডিতলা, আনোর হোসেন এর বাড়ির ভাড়াটিয়া। সে ওই এলাকার একজন খারাপ প্রকৃতির লোক। গার্মেন্টস ছুটি হওয়ার পর বিবাদী রাস্তায় দাঁড়াইয়া মহিলা শ্রমিকদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে। এতে আমি প্রতিবাদ করি। এ কারণে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ১টা ১০মিনিটের সময় আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসায় যাওয়ার পথে বড় দেওড়া চন্ডিতলা রোডের মাথায় যাওয়া মাত্র ১নং বিবাদী আমাকে দেখিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। এসময় আমি বিবাদীকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে বিবাদী ক্ষিপ্ত হইয়া তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা

করিলে আমি মাথা সরাইয়া নিলে উক্ত রডের আঘাত আমার নাকের উপর লাগিয়া ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়াও অজ্ঞাত অন্যান্য বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা এসএস পাইপ দিয়া আমাকে এলোপাথারিভাবে আঘাত করিয়া মাথাসহ সারা শরীরে গুরুতর নীলা ফুলা জখ করে। এ সময় ১নং বিবাদী আমার প্যান্টের পকেটে থাকা ব্যবসার নগদ ৯৭,৫০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে আমার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমার বাড়ির লোকজন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনালে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেন। এ ঘটনায় আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। আমি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হউক।