তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। একই ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দীনকে শোকজের পাশাপাশি প্রশাসনিক কারণে ক্লোজড করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাঁকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরে প্রায় নয় ঘণ্টার অভিযানে সোমবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ পুনরায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় এসআই শরাফিন মিয়া বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ১৮৬, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৫৩ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেন। মামলায় চার নারীসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রেনু মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট নারী আসামিদের কিশোরগঞ্জ জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের কাজে বাধা, আসামি ছিনিয়ে নেওয়া ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।