দেশের সংবাদপত্র জগতে অসংখ্য পত্রিকা রয়েছে যে তা যে কারো অতি সহজেই অনুমেয় হওয়ার কথা।
আর অসংখ্য পত্রিকার ভিড়ে ওই পত্রিকা গুলোর মালিকদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা অথবা সমর্থক। কিন্তু, দলের নিজস্ব পত্রিকা কোনো টা-ই নয়। তবে, দৈনিক দিনকাল পত্রিকা সরাসরি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি’র নিজস্ব মালিকানাধীন। আর বিভিন্ন পত্রিকার মধ্যে কোনো কোনো পত্রিকায় রয়েছে বেতন ভুক্ত সম্পাদক। কিন্তু, দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক (বর্তমান) খোদ বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে নির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই।
দেশের অনেক স্থানের বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের মধ্যে অনেকেই জানেন না যে, তাদের দলের একটি মাত্র পত্রিকা রয়েছে, আর তা হলো দৈনিক দিনকাল। এবং ওই পত্রিকার সম্পাদক তাদের দলেরই চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই। আর আগের কথা বাদ দিলে ও বর্তমানে সারাদেশে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিক যারা রয়েছেন তারা দলেরই লোক। অথচ, দলীয় লোক এবং দলের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক দিনকাল এর কদর নেই দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে। এমন কি বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা বিগত সময়ের আওয়ামী লীগের দালাল খ্যাত সাংবাদিকদের প্রাধান্য দিলে ও দলীয় পত্রিকা দৈনিক দিনকাল এর প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা তাদের কাছে একেবারেই গন্য হীন।
সারাদেশে এক-ই অবস্থার কথা কমবেশি জানা থাকার পরেও এ প্রতিবেদন এর আলোচ্য বিষয় চট্টগ্রামের দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে দলের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক দিনকাল এর সাংবাদিকরা গন্যহীনতার প্রাসঙ্গিকতা।
যতোদূর সম্ভব খবর নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা থেকে শুরু করে সীতাকুণ্ড, সন্দীপ, ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য উপজেলাতে ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকা এখনো উপেক্ষিত! এবং ওই পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা দলীয় এম, পি প্রার্থী থেকে শুরু করে দলের দায়িত্ববান নেতাদের কাছে একেবারেই গন্যহীনতার মধ্যে পড়ে রয়েছে।
যার উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে- দলের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক দিনকাল পত্রিকার পাতায় প্রতিদিন চোখ বুলালেই দেখা যাবে ওই সব এলাকা গুলোর কোন্ কোন্ এলাকার খবরাখবর ছাপা হয়। অথচ, উল্লিখিত উপজেলা গুলো সহ প্রায় প্রতিটি উপজেলায় প্রতিদিন বিএনপি’র চেয়ারপার্সন দেশ মাতা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া- মোনাজাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর দল মনোনীত প্রার্থীর ধানের শীষ এর পক্ষে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ সহ নানাবিধ: কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কিন্তু, কয়টা প্রোগ্রামের খবর দৈনিক দিনকাল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়/হচ্ছে? সুতরাং, সেই নিরীখেই উপরোল্লিখিত বিষয়াবলীর আলোকে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা যে দলের নেতা-কর্মী বিশেষ করে দায়িত্ববান নেতাদের কাছে একেবারেই অবহেলিত-বঞ্চিত সহ নগন্য অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়ে শতো ভাগ সত্যতা খুঁজে পাওয়া যাবে।
উল্লেখ করার প্রয়োজন যে, দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকাকে বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত বাঘের চাইতে ও বেশি ভয় করে গন্য করে চলতো। আর তার জ্বলন্ত প্রমাণ- তৎসময়ে একবার বিদেশ থেকে ঘুরে এসে বিমান বন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ দিতে গিয়ে প্রথমে শেখ হাসিনা বলে উঠেছিলেন- এখানে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সাংবাদিক আছে কী না! তখন অন্যান্য সাংবাদিকরা এর বিরোধিতা ও করূছিলো। অথচ, বিএনপি’র নেতা কর্মীরা তাদের দলের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক দিনকাল কে প্রাধান্য দেয় না এবং দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকদের গননায় রাখতে চায় না!
যাক্ সে কথা। অন্যান্য পত্রিকার মতো-ই দিনকাল ও একটা পত্রিকা। এবং অন্যান্য সাংবাদিকদের মতো-ই দিনকাল পত্রিকার একজন সাংবাদিক ও। এর বাইরে অন্য কিছু মনে করার কোনো অবকাশ নেই।
আর তাই- চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা ও উল্লেখিত উপজেলা গুলো সহ অন্যান্য উপজেলা গুলোর দায়িত্ববান দলীয় নেতা এবং দল মনোনীত প্রার্থীর উচিত হবে দলের পত্রিকা হিসেবে দিনকাল পত্রিকাকে প্রাধান্য দেয়া সহ পত্রিকার দায়িত্ব রত: প্রতিনিধি/সাংবাদিকদের কে গন্য করে এবং যোগাযোগ রেখে দলীয় সকল কর্মসূচি জানান দেয়ার মাধ্যমে পত্রিকায় তুলে ধরার ব্যবস্থা করা।