1. admin@nagorikchitra.com : admin :
June 27, 2026, 10:03 pm
শিরোনামঃ
একনেক সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন, সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিসিএস কর্মকর্তার ছবি দিয়ে মানহানিকর সংবাদ: ওসি মামলা না নেওয়ায় ডিসির দ্বারস্থ শিক্ষক অপরাধ দমনে কঠোর বার্তা, গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন জাপানের পর এবার নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতীয় আম ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত অন্তত ৩২, চার দেশে সুনামি সতর্কতা ১৪০ দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে, ভ্যাকসিন উৎপাদনে জোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত দুই তেজগাঁও ও দারুস সালামে র‍্যাবের অভিযান, ৩৬৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ উত্তরায় ১,১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধন্যবাদ

শ্রীপুরে অবৈধ মাটি কাটার মহোৎসব, সরঞ্জাম জব্দ হলেও নেপথ্যে সক্রিয় দালাল চক্র।

Reporter Name
  • Update Time : Friday, December 5, 2025,

মোঃসুলতান মাহমুদ,গাজীপুরের প্রতিনিধি :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় কৃষি জমি, নদী-খাল এবং সরকারি খাসজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার মহোৎসব চলছে। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে দুটি ড্রাম ট্রাক ও একটি ভেকু জব্দ করলেও, স্থানীয় প্রভাবশালী ও দালাল চক্রের তৎপরতার কারণে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড কিছুদিনের মধ্যেই আবার পুরোদমে শুরু হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন, তেলিহাটি ইউনিয়ন, ও গোসিংগা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় রাতে বা দিনের বেলায় প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ভেকু (এসকাভেটর) ব্যবহার করে ফসলি জমির উপরিভাগ (টপ সয়েল) কেটে নিচ্ছে। এই মাটি চড়া দামে ইটভাটা এবং নিচু জমি ভরাটের কাজে বিক্রি করা হচ্ছেঅপরিকল্পিতভাবে ১৫ থেকে ২০ ফুট গভীর করে মাটি কাটার ফলে শত শত বিঘা কৃষি জমি জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। এতে কৃষিজমির উর্বরতা ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।অতিরিক্ত ওজনের মাটিবাহী ড্রাম ট্রাকগুলো গ্রামীণ পাকা সড়ক দিয়ে চলাচল করায় সড়কগুলো দ্রুত ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

প্রশাসন মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দ ও জরিমানা করছে। তবে ব্যবসায়ীরা মুচলেকা দিয়ে বা জরিমানা পরিশোধ করে অল্প দিনের মধ্যেই আবার একই কাজ শুরু করছেএলাকাবাসীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই অবৈধ ব্যবসার মূল চালিকাশক্তি হলো স্থানীয় দালাল ও প্রভাবশালী চক্র। তাদের হাত ধরেই মাটি ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বা জরিমানার পরে দ্রুত পুনরায় কাজে ফিরছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দ হওয়ার দু-একদিনের মধ্যেই দালাল চক্রের মাধ্যমে জরিমানা দিয়ে ব্যবসায়ীরা ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে এবং পুনরায় মাটি কাটা শুরু করছে। যত দিন এই দালাল চক্র সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করবে, তত দিন অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধ হবে না।স্থানীয়রা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পরিবেশ ও কৃষি জমি রক্ষায় সাধারণ জনগণ প্রশাসনের কাছে নিম্নলিখিত কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, দালাল ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী শুধুমাত্র জরিমানা নয়, বরং দৃষ্টান্তমূলক কারাদণ্ডসহ স্থায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।আইন অমান্য করে বারবার একই অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।এই চক্রকে যারা সহযোগিতা করছে, সেইসব সরকারি কর্মকর্তা বা স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধেও তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT