1. admin@nagorikchitra.com : admin :
August 28, 2026, 6:00 am
শিরোনামঃ
কাউখালীতে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা গাইবান্ধায় এসপির বাংলোতে পুলিশ কনস্টেবলের আ*ত্ম*হত্যা। যশোরের ট্রাক্টর মালিক ও পার্টস ব্যাবসায়ীরা মন্দায় পুলিশি হয়রানিতে দিশেহারা লক্ষ ট্রাক্টর মালিক পোড়ার,হাট ইয়াং স্পোর্টিং ক্লাবের বিজয়োৎসব ও পিকনিক অনুষ্ঠিত | Porarhat Young Sporting Club Victory Celebration তাওহীদি জনতার নাম ব্যবহার করে মব সৃষ্টি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি কাঁঠালিয়ায় কচুরিপানায় আমন চাষ ব্যাহত, বাড়ছে কৃষকের খরচ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় স্থানীয় শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মীদের উদ্বেগ ও সংহতি কাঁঠালিয়ায় সমবায় সমিতির প্রাক-নিবন্ধন প্রশিক্ষণ সভা গাজীপুর জেলা সাংবাদিক সমিতি: সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসেন চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান ঈদে মিলাদুন্নবী সম্পর্কে মানবজাতির করণীয়:-  

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় স্থানীয় শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মীদের উদ্বেগ ও সংহতি

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, August 27, 2026,

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি নরসিংদী

বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সাম্প্রতিককালে বেশ কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখা নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ও ব্যক্তিবর্গ অভিযোগ করেছেন যে, তারা বিভিন্ন সময়ে উগ্রবাদী বা তথাকথিত নৈতিকতা রক্ষা কমিটির নামের আড়ালে বাধা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে।

উদ্বেগের কারণসমূহ:

সংগীত ও নৃত্য অনুষ্ঠান আয়োজনে বাধা: গত কয়েকমাসে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত বেশ কয়েকটি লোকনৃত্য ও সংগীতানুষ্ঠানকে নানা অজুহাতে বন্ধ করে দেওয়া বা বাধা প্রদান করা হয়েছে। এমনকি আয়োজকদের ব্যক্তিগতভাবেও হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আবহমান বাংলার সংস্কৃতির উপর আক্রমণ: শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের দাবি, এই ধরণের কর্মকাণ্ড কেবল অনুষ্ঠান বন্ধ করতেই নয়, বরং আবহমান বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, যেমন- বাউল গান, নাটক, এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের সাথে যুক্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনাগুলোকে মুছে ফেলার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিরাপত্তা: এ ধরনের ঘটনায় শিল্পীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে এবং তারা তাদের শিল্পকর্মকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরার স্বাধীনতা হারাচ্ছেন।

প্রতিক্রিয়া ও সংহতি:

এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে নরসিংদীর সচেতন শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা একত্রিত হয়েছেন। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না বলে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এই অবস্থায়, শিল্পীরা তাদের অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ধারা বজায় রাখার জন্য সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের সমর্থন ও সংহতি কামনা করছেন।

আহ্বান:

বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব [নাম] বলেন, “সাংস্কৃতিক চর্চা কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি একটি সমাজের প্রাণ। যে সমাজ তার সংস্কৃতিকে ভুলে যায়, সে সমাজ তার স্বকীয়তা হারায়। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

অন্যদিকে, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা এই ধরণের অসহিষ্ণুতা ও সংকীর্ণ মানসিকতার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

নরসিংদীর এই উদ্ভূত পরিস্থিতি স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমীদের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে এবং এর স্থায়ী সমাধানের জন্য জনসচেতনতা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT