1. admin@nagorikchitra.com : admin :
August 12, 2026, 1:49 pm
শিরোনামঃ
৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার। মদনে সহকারী শিক্ষিকা লাঞ্ছিত প্রধান শিক্ষকের হাতে,থানায় অভিযোগ শিবির ও জামায়াত নেতার কবর জিয়ারতে কাঁদলেন ডা. শফিকুর রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ বোতল এসকাফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার ৩ ‎রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে ‎বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত ‎ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শেখ কামরুল হাসান সাহার অভিনন্দন যুবসমাজকে রক্ষায় টঙ্গীতে মাদকবিরোধী সভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন, সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গাইবান্ধায় পানি সংকটে ৬০০ পরিবার,শোধনাগার বন্ধ

Reporter Name
  • Update Time : Monday, January 12, 2026,

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় দেড় বছর আগে পানি শোধনাগার প্রস্তুত হলেও মাঝখানে মাস দুয়েক পানি সরবরাহের পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিশুদ্ধ পানি নিয়ে সংকটে পড়েছেন ৬০০ পরিবারের অন্তত ২ হাজার মানুষ।

জানা যায়, পৌরসভার পাঁচটি ওয়ার্ডে বসবাসরত নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে ২০২২ সালের শেষ দিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭৩ টাকা ব্যয়ে ২০০ ঘনমিটার ক্ষমতাসম্পন্ন পানি শোধনাগার প্রকল্প তৈরির কাজ শুরুর পর তা শেষ হয় ২০২৪ সালের জুন নাগাদ।

এক হাজার ২০০ পরিবারের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা থাকলেও শেষমেশ সংযোগ দেওয়া হয় ৬০০ পরিবারে। এ জন্য স্থাপন করা হয় ৮০০ মিটার ট্রান্সমিশন লাইন এবং ১২ কিলোমিটার বিভিন্ন ব্যাসের ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন।

পরে ওই বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি সরবরাহের জন্য শোধনাগারটি বুঝিয়ে দেয় পৌর কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু পৌরসভায় প্রকল্পের আওতায় ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করতে গিয়ে ঠিকাদার ৫০টি হাউজ কানেকশন কেটে ফেলে।
ফলে বন্ধ হয়ে যায় শোধনাগারের পানি সরবরাহ। কয়েকমাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিশুদ্ধ পানি সংকটে পড়েছেন পৌরসভার ৬০০ পরিবারের অন্তত ২ হাজার মানুষ।

পানি সংকটে ভোগার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করতে গিয়ে ঠিকাদার যে ৫০টি পরিবারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে, তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করার দায়িত্ব ছিল সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বা পৌরসভার। কিন্তু তাদের সেই দায়িত্বহীনতার কারণে কয়েক মাস ধরে আমাদের এই ভোগান্তি। ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান তারা।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশল কার্যালয় সূত্র বলছে, ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা করার সময় কেটে ফেলা পানি সরবরাহ লাইন মেরামতের দায়িত্ব ছিল পৌরসভার। এটা বারবার বলেও কোনো কাজ হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে এর সমাধানের জন্য প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT