1. admin@nagorikchitra.com : admin :
August 12, 2026, 1:20 pm
শিরোনামঃ
৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার। মদনে সহকারী শিক্ষিকা লাঞ্ছিত প্রধান শিক্ষকের হাতে,থানায় অভিযোগ শিবির ও জামায়াত নেতার কবর জিয়ারতে কাঁদলেন ডা. শফিকুর রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ বোতল এসকাফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার ৩ ‎রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে ‎বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত ‎ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শেখ কামরুল হাসান সাহার অভিনন্দন যুবসমাজকে রক্ষায় টঙ্গীতে মাদকবিরোধী সভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন, সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কাজা নামাজের জন্য আজান-ইকামত লাগবে?

Reporter Name
  • Update Time : Monday, January 12, 2026,

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করাই পবিত্র কোরআনের বিধান। যত ব্যস্ততাই থাক না কেন, সময়মতো নামাজ আদায়ের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)

তাই কোনো ধরনের ওজর বা অপারগতা ছাড়া কোনো নামাজ সময় চলে যাওয়ার পর আদায় করা জায়েজ নেই। কেউ ইচ্ছাকৃত সময়মতো নামাজ আদায় না করলে, তাকে গুনাহগার হতে হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৯৬)

ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কারণ, ইচ্ছাকৃত নামাজ ছেড়ে দিলে মহান আল্লাহ ওই ব্যক্তির ওপর থেকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তুলে নেন। মুআজ (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) আমাকে দশটি নসিহত করেন, তার মধ্যে বিশেষ একটি হলো, তুমি ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ত্যাগ কোরো না। কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ত্যাগ করল, তার ওপর আল্লাহর কোনো জিম্মাদারি থাকল না।’ (আহমাদ, হাদিস : ২৩৮)
তবে নিতান্ত ভুলবশত, অপারগ হয়ে কিংবা বিশেষ কারণে কোনো ওয়াক্তের নামাজ আদায় করতে না পারলে পরবর্তী সময়ে এই নামাজ আদায় করে দিতে হয়। আর এই নামাজ আদায়কে কাজা নামাজ বলা হয়। ফরজ কিংবা ওয়াজিব নামাজ ছুটে গেলে, সে নামাজের কাজা আদায় করা আবশ্যক। সুন্নত কিংবা নফল নামাজ আদায় করা না গেলে, সেটার কাজা আদায় করতে হয় না।

কাজা নামাজ আদায়ের জন্য আযান ও ইকামত দেওয়া সুন্নত। তবে আজান ইকামত ছাড়াও কাজা নামাজ পড়া যাবে।

একাকী কাজা নামাজ আদায় করলে নিম্নস্বরে আজান ও ইকামত দেবেন। এমনিভাবে যদি কোনো মসজিদে কাজা নামাজা আদায় করা হয় তাহলে জামাতে পড়লেও উঁচু আওয়াজে আজান ইকামত দেওয়া যাবে না; বরং শুধু জামাতের লোকজন শুনতে পায় এবং অন্যদের বিঘ্ন না ঘটে এতটুকু উঁচু শব্দ করতে পারবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT