নিজস্ব প্রতিবেদক, জাকির হোসেন।
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়ার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা ভবন নির্মাণের স্থান নির্ধারণে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। রায়ে ১৪৩ নয়াবাড়ি মৌজাতেই উপজেলা ভবন নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় এটিকে দক্ষিণ গফরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
গফরগাঁও-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (বাচ্চু) এ রায়কে এলাকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন। তাঁর প্রত্যাশা, উপজেলা ভবনের নির্ধারিত স্থান নিয়ে আইনি জটিলতার অবসান হওয়ায় এখন প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
স্থানীয়দের মতে, উপজেলা ভবন ১৪৩ নয়াবাড়ি মৌজায় স্থাপিত হলে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের সরকারি সেবা গ্রহণ সহজতর হবে এবং এলাকার যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আইনি লড়াইয়ের অবসান
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৪৩ নয়াবাড়ি মৌজাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও আইনি প্রক্রিয়া চলছিল। অবশেষে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের মধ্য দিয়ে বিষয়টির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিষ্পত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
রায়কে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক বিজয় নয়; বরং এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন।
শান্ত থাকার আহ্বান
রায় ঘোষণার পর এলাকায় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হলেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সবাইকে শান্ত ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উন্নয়নের নতুন দ্বার
১৪৩ নয়াবাড়ি মৌজায় উপজেলা ভবনের স্থান নির্ধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় এখন দ্রুত নির্মাণকাজ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন দক্ষিণ গফরগাঁওবাসী।
স্থানীয়রা মনে করছেন, উপজেলা ভবন নির্মাণ বাস্তবায়িত হলে সরকারি সেবা জনগণের আরও কাছাকাছি পৌঁছাবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের উন্নয়ন আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা—হাইকোর্টের রায়ের আলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে উপজেলা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।