1. admin@nagorikchitra.com : admin :
June 6, 2026, 6:05 pm
শিরোনামঃ
ইরানের অধিকাংশ ড্রোন কারখানা ধ্বংস: ট্রাম্প বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই, এটি অজনপ্রিয় সরকার: আসিফ মাহমুদ চোটে পড়লেও আত্মবিশ্বাসী নেইমার: ‘ইতিহাসে আমার নাম খোদাই করা হয়ে গেছে’ দেশে চাঁদাবাজ-মাদকের জায়গা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোটি টাকার সেতুতে উঠতে ১০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো ১৫টি মসজিদ সিলগালা করল ভারত সরকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেফতার দুই আগারগাঁওয়ে জিটিডি মিডিয়া প্রোডাকশনের চলচ্চিত্র উৎসব কাল কক্সবাজারে বার-বি-কিউ খেয়ে ফুড পয়জনিং, রাজশাহীর ৩০ শিক্ষক-প্রশিক্ষণার্থী হাসপাতালে কুমিল্লা বিভাগ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

কোটি টাকার সেতুতে উঠতে ১০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : Saturday, June 6, 2026,

নির্মাণকাজ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) না থাকায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি নবনির্মিত সেতু স্থানীয়দের কোনো কাজেই আসছে না। উল্টো সেতুতে উঠতে ব্যবহার করতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো। এতে উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের বাঘাইয়াকান্দী-কালীপুরা এলাকাসহ কয়েকটি গ্রামের ১০ সহস্রাধিক মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রসুলপুর জিসি-কালীপুরা ভায়া ইমামপুর সড়কে ৫৬ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রথম দফায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ৬ হাজার ৩৫ টাকা ব্যয়ে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় তাদের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানকে সম্পন্ন কাজের বিপরীতে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়।

পরবর্তীতে প্রকল্পের ব্যয় সমন্বয় করে দ্বিতীয় দফায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর ২ কোটি ৫৯ লাখ ৬২ হাজার ৪১৩ টাকা চুক্তিমূল্যে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্নের দায়িত্ব পায় ‘ওরিয়েন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। মুন্সীগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় টেন্ডার ও কার্যাদেশের কাজ সম্পন্ন করলেও প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে রয়েছে গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়।

কার্যাদেশ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে প্রায় এক বছর অতিবাহিত হলেও এখনো সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হয়নি।

গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী নদী বা পানিপ্রবাহের স্রোতের সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি সমকোণে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। আর এই নিয়ম অনুসরণ করতে গিয়েই সেতুর পশ্চিম অংশের সংযোগ সড়কটি ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর গিয়ে পড়েছে। ফলে তৈরি হয়েছে আইনি ও জমি-সংক্রান্ত জটিলতা।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আমরা কাজের সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছি, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া প্রকল্প এলাকায় শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকায় বিভিন্ন সময় কাজ ব্যাহত হয়েছে।”

এদিকে ভোগান্তি নিরসনে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে। কম পরিমাণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করে কীভাবে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা যায়, সেই সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে পশ্চিম প্রান্তে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের ব্যয় যুক্ত করে নতুন প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন বলেন, “সেতু এলাকায় জমি-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। স্থানীয়দের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT