1. admin@nagorikchitra.com : admin :
October 11, 2026, 10:17 pm
শিরোনামঃ
পুলিশের কাছে অভিযোগ নেই সালিশে মারধরের শিকার পলাশবাড়ীর চাঁদনীর, সুপথে চলার প্রত্যয় গাইবান্ধা জেলা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি রানা ইস্কান্দার রহমানের জন্মদিন উদযাপন দিনাজপুর কাহারোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আহমদ আবু জাফরের জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সততা, ত্যাগ ও মানবিক মূল্যবোধে এগিয়ে চলার প্রত্যয় মধ্য কার্টা জালাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম শিক্ষক সংকট: ২৫৩ শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ২ শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত খুলনার বটিয়াঘাটায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১০ হাজার মিটার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস আনোয়ারায় ১ নং বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মামুন খানের তথ্য-উপাত্ত জমা মাতৃহীন দুই শিশুকে আগলে রাখার গল্প নিয়ে আসছে সাংবাদিক নিবিড়ের ‘পূর্ণতা’ নবীনগরে ইটভাটায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক হলেন পাকিস্তান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মিয়ান ইশতিয়াক আলী

মধ্য কার্টা জালাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম শিক্ষক সংকট: ২৫৩ শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ২ শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, October 11, 2026,

(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: হাসান মাহমুদ জয়

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কাচকাটা থানার

মধ্য কাটা জালাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। ২৫৩ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে বিদ্যালয়টিতে মাত্র ২ জন শিক্ষক কর্মরত থাকায় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৫ সালে বিদ্যালয়টিতে নতুন ভবন নির্মিত হলেও গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকজন শিক্ষক অবসরে যাওয়া এবং বাকিদের বদলিজনিত কারণে নতুন কোনো শিক্ষক পদায়ন করা হয়নি। ফলে বর্তমানে মাত্র ২ জন শিক্ষককে নিয়েই কোনোমতে চলছে ২৫৩ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, একজন শিক্ষকের বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কাজেই সিংহভাগ সময় কেটে যায়। বাকি ১ জন শিক্ষকের পক্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাসের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে সামলানো ও পাঠদান করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন সঠিক পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক অভিভাবক জানান, একটি বিদ্যালয়ে আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীকে মাত্র দু’জন শিক্ষক দিয়ে কীভাবে পড়ানো সম্ভব? আমরা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। দ্রুত এখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ বা পদায়ন না করলে শিশুদের লেখাপড়া পুরো নষ্ট হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT