1. admin@nagorikchitra.com : admin :
October 11, 2026, 11:18 pm
শিরোনামঃ
পুলিশের কাছে অভিযোগ নেই সালিশে মারধরের শিকার পলাশবাড়ীর চাঁদনীর, সুপথে চলার প্রত্যয় গাইবান্ধা জেলা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি রানা ইস্কান্দার রহমানের জন্মদিন উদযাপন দিনাজপুর কাহারোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আহমদ আবু জাফরের জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সততা, ত্যাগ ও মানবিক মূল্যবোধে এগিয়ে চলার প্রত্যয় মধ্য কার্টা জালাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম শিক্ষক সংকট: ২৫৩ শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ২ শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত খুলনার বটিয়াঘাটায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১০ হাজার মিটার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস আনোয়ারায় ১ নং বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মামুন খানের তথ্য-উপাত্ত জমা মাতৃহীন দুই শিশুকে আগলে রাখার গল্প নিয়ে আসছে সাংবাদিক নিবিড়ের ‘পূর্ণতা’ নবীনগরে ইটভাটায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক হলেন পাকিস্তান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মিয়ান ইশতিয়াক আলী

পুলিশের কাছে অভিযোগ নেই সালিশে মারধরের শিকার পলাশবাড়ীর চাঁদনীর, সুপথে চলার প্রত্যয়

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, October 11, 2026,

আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ-

কারও প্রতি কোনো অভিযোগ নেই সালিশে মারধরের শিকার অসামাজিক কাজে অভিযুক্ত চাঁদনী আক্তারের। ভবিষ্যতে সুপথে চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সবার দোয়া কামনা করেছেন চাঁদনী।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের বরিশাল গ্রামের চাঁদনীর সঙ্গে কথা বলেন পলাশবাড়ী থানা পুলিশের একটি টিম। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ারে আলম খান, সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আলী ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার।

পুলিশের পক্ষ থেকে চাঁদনীকে মামলা দায়েরসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও চাঁদনী বলেন, “আমি ভুলপথে পা বাড়িয়েছিলাম, আমার ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য আমার ভাই-চাচারা আমাকে সালিশে শাসন করেছেন। এতে আমার কারও প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। আমি ভবিষ্যতে সুপথে চলতে চাই।” এ সময় চাঁদনীর মা মেয়ের জন্য উপস্থিত সবার দোয়া কামনা করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের বরিশাল গ্রামের চাঁদনীর বাড়ির পাশের একটি ফাঁকা স্থানে স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে এ সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে উপস্থিত সবার সামনে চাঁদনীকে মারধর করে সুপথে চলার জন্য কান ধরে তওবা (প্রতিজ্ঞা) করানো হয়। যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড়সহ পক্ষে-বিপক্ষে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে মন্তব্য করেন নেটিজেনরা।

চাঁদনী আক্তার বরিশাল গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল বরিশাল গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের মেয়ে চাঁদনী আক্তার নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘রাসেল’ পরিচয়ে পলাশবাড়ী পৌরসভার হিজলগাড়ী গ্রামের তাজু মিয়ার মেয়ে লাবনী আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের প্রায় পাঁচ মাস পর সম্প্রতি বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

স্থানীয়দের দাবি, চাঁদনী ও লাবনীর মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ককে বিয়ের মাধ্যমে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে চাঁদনী পুরুষ পরিচয় ব্যবহার করে লাবনীকে বিয়ে করেন। গত একমাস আগে বিষয়টি প্রথমে চাঁদনীর বাবা ইব্রাহিম খলিলের নজরে আসে। পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে এলাকায় সালিশ বৈঠক বসে। এতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, সালিশ চলাকালে চাঁদনী ওরফে রাসেলকে মারধর করা হয় এবং কান ধরে উঠবস করানো হয়। এ সময় তাঁকে তওবা পড়ানো হয় বলেও জানা গেছে। সালিশে চাঁদনী দোষ স্বীকার করে সকলের কাছে ক্ষমা চান বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আশরাফুল ইসলাম বলেন, তারা দুজনেই মেয়ে। মেয়ে-মেয়ে কি কখনো বিয়ে হয়? শুনেছি তারা কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর থেকে তারা সংসারও করতেছিলো, পরে বিষয়টি জানাজানি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা জানতেন চাঁদনীর সাথে থাকা মেয়েটা তারা দুজনে বান্ধবী। কিন্তু তাদের মেয়ে-মেয়ে বিয়ের বিষয়টি জানা -জানি হলে আজ চাঁদনীর বাড়ির পাশের একটি ফাঁকা স্থানে স্থানীয়দের সালিশ-বৈঠক হয়েছে। সেখানে চাঁদনীকে এ ঘটনার দায়ে মারধর করা হয়েছে। এসময় ভুল স্বীকার করেছে চাঁদনী।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT