1. admin@nagorikchitra.com : admin :
September 26, 2026, 11:51 pm
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে-এটিএম কামরুল ইসলাম নবীনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে পিএসসিতে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান  ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক সৌরভ কুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত   বেনাপোলে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিএনপি সহ সকল অঙ্গ সংগঠনে মিছিল ও সমাবেশ  পলাশবাড়ীতে মোটর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন দ্বন্দ্বের মীমাংসা বৈঠকে সমঝোতা, পূর্বের মতো সড়কে চলবে ‘বকুল এন্টারপ্রাইজ’ শার্শা থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী রূপসী বাংলা ট্রেনের ধাক্কায় যশোরে ইজিবাইকের চালক ও যাত্রীসহ নিহত-২ কসবায় কথিত ডাকাতির আড়ালে মাদক বাণিজ্য: আলামতের চাইনিজ কুড়াল ই-কমার্সে কেনা, নেপথ্যে অবিশ্বাস্য চিত্রনাট্য! কোরবান নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ ভিত্তিহীন’, জাতিসংঘের আদালতে দাবি মিয়ানমারের

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, January 17, 2026,

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে গণহত্যার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) সেটিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন মিয়ানমারের আইনজীবী কো কো হ্লেইং।
সামরিক বাহিনীর অভিযানের জেরে যেসব রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেছেন হ্লেইং।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলা হয়েছিল। সশস্ত্র রোহিঙ্গাগোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে এই হামলার জন্য দায়ী করে মিয়ানমারের সরকার। পরে এ হামলার জের ধরে ওই মাসেই রাখাইনে বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
অভিযানের নামে সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে বর্মী সেনাবাহিনীর লাগাতার হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের সামনে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালাতে শুরু করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন সে সময়। তারা এখনও বাংলাদেশেই আছেন।

২০১৭ সালে বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের পরপরই জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল এ ঘটনার তদন্ত করেছিল। সেই দলের তদন্ত প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ২০১৯ সালে বৈশ্বিক আদালতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিায়া। গত ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে সেই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। এই মামলায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে উপস্থিত থাকছেন কো কো হ্লেইং।

মঙ্গলবারের শুনানিতে নিজের বক্তব্য দেওয়ার সময় হ্লেইং বলেন, “২০১৭ সালে আরাকানে যা ঘটেছিল— তা ছিল সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান। ওই বছর জুলাই মাসে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনে পুলিশ ও সেনাছাউনি লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে রাখাইনকে সন্ত্রাসীদের দখলে যেতে দেওয়ার জন্য অলস হয়ে বসে থাকা মি%

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT