1. admin@nagorikchitra.com : admin :
June 5, 2026, 5:50 pm
শিরোনামঃ
১৫টি মসজিদ সিলগালা করল ভারত সরকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেফতার দুই আগারগাঁওয়ে জিটিডি মিডিয়া প্রোডাকশনের চলচ্চিত্র উৎসব কাল কক্সবাজারে বার-বি-কিউ খেয়ে ফুড পয়জনিং, রাজশাহীর ৩০ শিক্ষক-প্রশিক্ষণার্থী হাসপাতালে কুমিল্লা বিভাগ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘হাসিনা ফিরলে প্রথম গুলি চলবে তারেক রহমানের ওপর’ সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৬ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার বিএমডিএ’র পাইপলাইন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা চার মাসেও পাননি ক্ষতিপূরণ বন্দুক হামলায় মদদ দেওয়ার অভিযোগ: ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে মামলা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: ৩১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন চূড়ান্ত

১৫টি মসজিদ সিলগালা করল ভারত সরকার

Reporter Name
  • Update Time : Friday, June 5, 2026,

ভারতের অরুণাচল প্রদেশ সরকার রাজধানী ইটানগরে ১৫টি মসজিদ স্থাপনায় সিলগালা করেছে। অবৈধ বসতি স্থাপন ও রাজ্যের জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় আদিবাসী সংগঠনগুলোর উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার (৫ জুন) ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর নিশ্চিত করেছে।

অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (এপিআইওয়াইও) দীর্ঘদিন ধরে কথিত অবৈধ দখল ও অনুমোদনহীন ধর্মীয় স্থাপনার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। সংগঠনটি এর আগে রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার বন্ধ পালন করে এবং তাদের দাবিগুলো পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে রাজ্য সরকারের মুখপাত্র ও শিক্ষামন্ত্রী পি.ডি. সোনা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে এপিআইওয়াইও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডুর বৈঠকে বিষয়টি প্রথম সরকারের নজরে আসে। এরপর সরকার জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া নির্মিত স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করার নির্দেশ দেয়। সরকারি জরিপে রাজধানী কমপ্লেক্স এলাকায় ১৫টি অনুমোদনহীন মসজিদ স্থাপনা শনাক্ত করা হয়।

সোনা বলেন, জেলা প্রশাসন আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১২টি স্থাপনা সিলগালা বা খালি করে। বাকি তিনটি মামলার বিষয়ে গত ১ জুন মুখ্যমন্ত্রী ও এপিআইওয়াইও নেতাদের মধ্যে আরেকটি বৈঠকে আলোচনা হয় এবং পরে সেসব স্থাপনার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বন্ধের যে কারণগুলো ছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে আইনসম্মত প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে।’

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অরুণাচল প্রদেশে অবৈধ অভিবাসন, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুর্বল নজরদারি এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা অব্যাহতভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। গত মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডুর আহ্বানে একটি উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, অবৈধ অভিবাসন ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ মোকাবিলার পাশাপাশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় তাঁর সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT